পুদিনার পরিচিতি ও ভেষজ গুণাবলি:
পুদিনা ছোট বিরুৎ জাতীয় উদ্ভিদ। এর গন্ধ অতিশয় উগ্র। পাতা সরল, প্রতিমুখ, ডিম্বাকার, কিনারা করাতদন্তর, সুগন্ধযুক্ত। ফুল গুচ্ছাকারে হয়।
প্রচলিত নামঃ পুদিনা
ইউনানী নামঃ ফূদঞ্জ, নানা
আয়ুর্বেদিক নামঃ রোচনী
ইংরেজি নামঃ Mint
বৈজ্ঞানিক নামঃ Mentha arvensis Linn.
পরিবারঃ Lamiaceae
প্রাপ্তিস্থানঃ
প্রায় সর্বত্র সুগন্ধ ও সালাদ উদ্ভিদ হিসেবে লাগানো হয়।
রোপনের সময় ও পদ্ধতিঃ
ভেজা ও স্যাঁতস্যাঁতে মাটিতে বর্ষাকালে মূল সহ কান্ডের গোড়ার অংশ কেটে লাগানো হয়। সেচের ব্যবস্থা থাকলে বছরের যে কোন সময়ই লাগানো যায়।
রাসায়নিক উপাদানঃ
পাতায় প্রচুর পরিমাণে উদ্দায়ী তেল, প্রোটিন, এমাইনো এসিড ও খনিজ উপাদান বিদ্যমান।
ব্যবহার্য অংশঃ সমগ্র উদ্ভিদ।
গুনাগুনঃ
হজমকারক, বায়ুনিঃসারক, বমন নিবারক, রুচিকারক, পাকস্থলীর ব্যথা নিবারক, মূত্রকারক, পাকস্থলী ও যকৃতের শক্তিবর্ধক, ঋতুস্রাব পরিষ্কারক এবং কোষ্ঠকাঠিণ্যে উপকারী।
বিশেষ কার্যকারিতাঃ হজমকারক, বায়ুনিঃসারক, পাকস্থলীর ব্যথা নিবারক।
রোগ অনুযায়ী ব্যবহার পদ্ধতিঃ
রোগেরনামঃ হজমশক্তি বৃদ্ধি ও বায়ুনিঃসরণে
ব্যবহার্য অংশঃ পাতার রস
মাত্রাঃ ১৫-৩০ মিলি (৩-৪ চা চামচ)
ব্যবহার পদ্ধতিঃ আহারের পর দিনে ২ বার সামান্য পরিমাণ বিট লবণ (কালো লবণ) সহ সেব্য।
রোগেরনামঃ পাকস্থলীর ব্যথা নিরসনে
ব্যবহার্য অংশঃ পুদিনা আরক
মাত্রাঃ ১ কাপ
ব্যবহার পদ্ধতিঃ আহারের পর দিনে ২ বার সেব্য।
রোগেরনামঃ বমন বা বমি বমি ভাব ও অরুচিতে
ব্যবহার্য অংশঃ পাতার চাটনি
মাত্রাঃ প্রয়োজনমত
ব্যবহার পদ্ধতিঃ প্রত্যহ ২-৩ বার খেতে হবে।
সতর্কতাঃ
নির্দিষ্ট মাত্রার অধিক সেবন করা সমীচীন নয়।
- admin
- admin
- admin
- admin
- admin
- admin
- admin
- admin
- admin
- admin
- admin
- admin


