Table of Contents

গোল মরিচের পরিচিতি ও ভেষজ গুণাবলি

গোল মরিচ
Table of Contents

গোল মরিচ

গোল মরিচ এক প্রকার লতানো উদ্ভিদ। সাধারনতঃ ভূমিতে কিংবা অন্য গাছকে জড়িয়ে বেড়ে উঠে। পাতার আকৃতি অনেকটা পানির মতই, কিন্তু অপেক্ষাকৃত ছোট এবং স্বাদ ঈষৎ তিক্ত। পাতার তলদেশে অত্যন্ত মসৃণ এবং উপরিভাগ ধূসর বর্ণের। ফল গোলাকার, কাঁচা অবস্থায় সবুজবর্ণ, পাকলে লাল বর্ণ কিংবা বেগুনি রঙ এর হয় এবং শুষ্ক হলে কালো রং ধারন করে। স্বাদ তীব্র ঝালযুক্ত এবং ঈষৎ তিক্ত।

প্রচলিত নামঃ গোল মরিচ

ইউনানী নামঃ ফিলফিল সিয়াহ্‌

আয়ুর্বেদিক নামঃ মরিচ

ইংরেজি নামঃ Black Pepper

বৈজ্ঞানিক নামঃ Piper nigrum Linn.

পরিবারঃ Piperaceae

গোল মরিচ

গোল মরিচ

 

প্রাপ্তিস্থানঃ চট্টগ্রাম ও সিলেট জেলার বিভিন্ন অঞ্চলে এবং বিভিন্ন উদ্যানে চাষ করা হয়।

রোপনের সময় ও পদ্ধতিঃ উঁচু জায়গায় গীষ্মের শেষে, লতা কেটে লাগালেই হয়।

রাসায়নিক উপাদানঃ ফলে বিভিন্ন অ্যালকালয়েড, রজন, উদ্বায়ী তেল ও বিভিন্ন টার্পিন দ্রব্য বিদ্যমান।

ব্যবহার্য অংশঃ ফল বা বীজ।

গুনাগুনঃ হজমকারক, পাকস্থলী ও যকৃতের শক্তিবর্ধক, পরিপাক শক্তি বৃদ্ধিকারক, কফ নিঃসারক এবং বিষ নাশক। পেটফাঁপা, বুকের ব্যাথা ও কীট দংশনে অত্যন্ত কার্যকরী।

বিশেষ কার্যকারিতাঃ হজমকারক, পাকস্থলী ও যকৃতের শক্তিবর্ধক, পরিপাক শক্তি বৃদ্ধিকারক, কফ নিঃসারক এবং বিষ নাশক।

রোগ অনুযায়ী ব্যবহার পদ্ধতিঃ

রোগেরনামঃ পরিপাক শক্তি বৃদ্ধি ও পেটফাঁপায়
ব্যবহার্য অংশঃ ফল বা বীজ চূর্ণ
মাত্রাঃ ২ গ্রাম
ব্যবহার পদ্ধতিঃ ১ গ্রাম পরিমাণ বিট লবণ মিশিয়ে আহারের পর দিনে ২ বার সেব্য।

রোগেরনামঃ সর্দি কাশি ও বুকের ব্যাথায়
ব্যবহার্য অংশঃ ফল বা বীজ চূর্ণ
মাত্রাঃ ১ গ্রাম
ব্যবহার পদ্ধতিঃ ১ চা চামচ মধু ও ১ চা চামচ তুলসী পাতার রসে গোলমরিচ চূর্ণ মিশিয়ে প্রত্যহ ২-৩ বার সেব্য।

রোগেরনামঃ কীটের দংশনে
ব্যবহার্য অংশঃ ফল বা বীজ চূর্ণ
মাত্রাঃ প্রয়োজনমত
ব্যবহার পদ্ধতিঃ ভিনেগার এর সাথে মিশিয়ে আক্রান্ত স্থানে প্রলেপ দিতে হবে।

সতর্কতাঃ অধিক মাত্রার সেবন ক্ষতিকর।

আমাদের এ লেখাটি ভালো লাগলে আরো পড়তে পারেন :

অনন্তমূলের পরিচিতি ও ভেষজ গুণাবলি

গোল মরিচ
Website |  + posts
Cart
  • No products in the cart.