নারিকেল তেল (Coconut Oil)

প্রাচীন ঐতিহ্যের সাথে আবহমান বাংলার নারীর চুলের সৌন্দর্যে ব্যবহৃত হচ্ছে নারিকেল তেল। যা নারিকেল তেলের শাস থেকে পাওয়া যায়। নারীর চুলকে বলা হয় সৌন্দর্যের আধার। তাই চুলের যত্নে সবার আগে প্রয়োজন বিশুদ্ধ নারিকেলের তেল।

কিন্তু বর্তমান সময়ে সেই চুলের সৌন্দর্য্য অনেকটায় ভাটা পড়েছে বিভিন্ন ক্যামিক্যালের প্রভাবে। আধুনিকতার ছোঁয়ায় নারীরা ও চুলকে সাজিয়ে তুলছেন বিভিন্ন রকম ভাবে। এর ফলে চুলের কার্বন হারিয়ে যাওয়া, ভঙ্গুর চুল, অকালে চুল পড়ে যাওয়া সহ বিভিন্ন রকম সমস্যায় পড়ছি আমরা। সাথে তো অস্বাস্থ্যকর জীবনধারণ পদ্ধতি ও বিভিন্ন রকম পরিবেশের দূষণ তো রয়েছে। একবার কি ভেবে দেখেছেন এতো কিছুর যাতাকলে চুলের কী অবস্থা হচ্ছে?

বহুকাল ধরে চুলের যত্নে নারিকেল তেল কে সেরা বলা হয়। কারণ এতে রয়েছে প্রোটিন প্রোপার্টিজ ও প্রাকৃতিক কন্ডিশনিং যুক্ত ফ্যাট। আর বর্তমান সময় চুলের মূল সমস্যা হল প্রোটিন লস। মূলত এর ঘাটতির জন্যই সুন্দর চুলের স্বপ্ন অধরাই রয়ে গেছে। তাছাড়া এতো ভেজাল পণ্যের সমাহারে সঠিক পণ্য খুঁজে পাওয়া ও বেশ কষ্টের সাথে বিশ্বাসের দিকটাও রয়েছে।

কেন সেরা নারিকেল তেল  চুলের যত্নে (Coconut oil for hair)

বিশুদ্ধ নারিকেল তেলে সম্পৃক্ত চর্বির পরিমান অধিক। নারিকেল তেলের রয়েছে প্রোটিন  তেল ও পানি একটা ইমালশোন । চুলের তিনটি লেয়ার রয়েছে। যথাঃ

অভ্যন্তরীণ লেয়ার, মাথার ত্বক ও বাহ্যিক লেয়ার। চুলের অভ্যন্তরীণ লেয়ারের অত্যন্ত নরম।এখানে মেডুলা প্রচুর পরিমাণে থাকে।  
মাথার ত্বক ও চুলের জন্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ। এখানে চুলের প্রোটিন সেল এবং পিগমেন্ট। মূলত এখানকার স্বাস্থ্যের উপর চুলের রঙ,  ঘনত্ব ও লম্বা নির্ভর করে।
বাহ্যিক অংশ হচ্ছে  যা আমরা দেখি। এই তিনটি অংশেরই সমানহারে যত্ন নেয় নারিকেল  তেল।চুলের যে প্রোটিন লস সিস্টেম তা থেকে সম্পূর্ণ রক্ষা করে বিশুদ্ধ নারিকেল তেল। তাছাড়া রৌদের অতি বেগুনি রশ্মির ক্ষতিকর প্রভাব রক্ষা করে নারিকেল  তেল।

নারিকেল তেলের লিউরিক এসিড চুলকে সহজে তেল চুষে  নিতে সাহায্য করে। চুলকে সুস্থ সুন্দর ভাবে বেড়ে ওঠতে সাহায্য করে নারিকেল তেল।

নারিকেল তেলের চুলের যত্নে উপকারী দিকগুলো তুলে ধরা হলঃ

# প্রাকৃতিক কন্ডিশনার চুলের জন্য।
# চুলকে সম্পূর্ণ রূপে ময়েশ্চারাইজার করে এবং ঘন ও স্বাস্থ্য উজ্জ্বল করে তোলে।
#বাহ্যিক দূষণের হাত থেকে চুলে রক্ষা  করে।
#উকুনের হাত থেকে রক্ষা করে। এক গবেষণায় দেখা গেছে অন্য তেলের থেকে নারিকেল তেল ৪০% বেশি কার্যকর উকুন প্রতিরোধে।
# নারিকেল তেলে এন্টিব্যাকটেরিয়াল ফ্যাঙ্গাস সিস্টেম থাকায় মাথার ত্বকে খুশকি মুক্ত রাখে।
#চুলের প্রোটিন লস সিস্টেম থেকে রক্ষা করে।

এক কথায় বলা যায় চুলের যত্নে নারিকেল তেলে অদ্বিতীয় আর কিছু নেই।

ত্বকের যত্নে নারিকেল তেলের ব্যবহার (Coconut oil for skin)

ত্বকের যত্নেও নারিকেল তেলের ব্যবহার লক্ষনীয়।
কারণ এতে থাকা চেইন ফ্যাটি এসিড এবং এন্টিমাইক্রোবেইল  প্রোপার্টিজ ত্বককে ব্যাকটেরিয়ার থেকে রক্ষা করে। তাছাড়া  ত্বকের ব্রণ সমস্যা, মেছতার দাগ ও ত্বককে শুষ্কতার হাত থেকে রক্ষা করে। যারা একজিমার সমস্যায় ভুগছেন তারা নারিকেল বডি অয়েল হিসেবে  ব্যবহার করে। শুষ্ক ত্বকে ময়েশ্চারাইজার করে নারিকেল তেল। মেকআপ রিমুভার হিসেবে নারিকেল তেল ব্যবহার করা হয়।

এখন প্রশ্নটি হচ্ছে বিশুদ্ধ নারিকেল তেল কোথায় পাবো? বাজারে যা রয়েছে তা উপর ভরসা করা যায় কতটুক? সাথে তো ক্যামিকেলের প্রভাবের দূশচিন্তা রয়েছে।

আপনার হাতে বিশ্বাসযোগ্য পন্যটি তুলে দিতে পাশেই রয়েছে মাইঅর্গানিক বিডি।

আমাদের আছে নিজস্ব তও্বাবধানে ও সঠিক মান সমপন্ন খাঁটি নারিকেল তেল। ব্যবহার করার পর আশা করি পার্থক্যটা বুঝতে পারবেন। বাজারে ভেজাল ও ক্যামিকাল যুক্ত তেলের চেয়ে কতটা খাঁটি এই নারিকেল তেল।