মেথির পরিচিতি ও ভেষজ গুণাবলি:

এটি বর্ষজীবী উদ্ভিদ।মেথির পরিচিতি ও ভেষজ গুণাবলি সাধারনতঃ ২৫-৩০ সে.মি লম্বা হয়। পাতা কিছুটা লম্বাকৃতি এবং একই বৃন্তে তিনটি পাতা গাঁথা থাকে। বীজ ক্ষুদ্রাকৃতির, কিঞ্চিত চাপা, স্বাদ তিক্ত ও সুগন্ধযুক্ত।

প্রচলিত নামঃ মেথি,মেথিকা

ইউনানী নামঃ হুলবা

আয়ুর্বেদিক নামঃ মেথিকা

ইংরেজি নামঃ Fenugreek

বৈজ্ঞানিক নামঃ Trigonella foenum-graecum Linn.

পরিবারঃ Fabaceae

প্রাপ্তিস্থানঃ

বাংলাদেশের অনেক এলাকায় চাষ করা হয়।

রোপনের সময় ও পদ্ধতিঃ অক্টোবর-নভেম্বর মাসে জমিতে বীজ বুনে চাষ করা হয়।

রাসায়নিক উপাদানঃ বীজে উদ্দ্বায়ী ও অনুদ্বায়ী তেল, ফ্যাটি এসিড, প্রোটিন, এমিনোএসিড, ভিটামিন বি ও সি, খনিজদ্রব্য এবং অ্যালকালয়েড ও স্যাপোনিন বিদ্যমান।

ব্যবহার্য অংশঃ পাতা ও বীজ।

গুনাগুনঃ

উচ্চ রক্তচাপ, বহুমূত্র ও প্রসবান্তিক দুর্বলতায় কার্যকরী। কোষ্ঠকাঠিণ্য ও বাতব্যাধিতে উপকারী, বীজ মূত্রকারক, যৌনশক্তি বর্ধক, বায়ুনাশক এবং চুল ঘন ও কালো করে।

বিশেষ কার্যকারিতাঃ উচ্চ রক্তচাপ, বহুমূত্র ও প্রসবান্তিক দুর্বলতায় কার্যকরী।

রোগ অনুযায়ী ব্যবহার পদ্ধতিঃ

রোগেরনামঃ উচ্চ রক্তচাপে
ব্যবহার্য অংশঃ বীজচূর্ণ
মাত্রাঃ ৫-১০ গ্রাম
ব্যবহার পদ্ধতিঃ প্রত্যহ ২-৩ বার পানিসহ সেব্য।

রোগেরনামঃ বহুমূত্রে
ব্যবহার্য অংশঃ বীজ/পাতাচূর্ণ
মাত্রাঃ ১০-১৫ গ্রাম
ব্যবহার পদ্ধতিঃ প্রত্যহ ২-৩ বার পানিসহ সেব্য।

রোগেরনামঃ বাত ব্যাধিতে
ব্যবহার্য অংশঃ পাতা
মাত্রাঃপরিমাণমত
ব্যবহার পদ্ধতিঃ সবজি আকারে রান্না করে সেব্য।

রোগেরনামঃ অর্শরোগে
ব্যবহার্য অংশঃ বীজচূর্ণ
মাত্রাঃ ১০-১৫ গ্রাম
ব্যবহার পদ্ধতিঃ প্রত্যহ ২-৩ বার মধুসহ সেব্য।

রোগেরনামঃ প্রসব পরবর্তী সমস্যায়
ব্যবহার্য অংশঃ বীজ চূর্ণ
মাত্রাঃ ৫-৬ গ্রাম
ব্যবহার পদ্ধতিঃ প্রত্যহ ২-৩ বার পানিসহ সেব্য।

রোগেরনামঃ কোষ্ঠকাঠিণ্যে
ব্যবহার্য অংশঃ পাতা
মাত্রাঃ প্রয়োজনমত
ব্যবহার পদ্ধতিঃ স্যুপ করে সেব্য।

সতর্কতাঃ

এ যাবৎ কোন বিরূপ প্রতিক্রিয়া পরিলক্ষিত হয়নি।

source: https://www.wikipedia.org/