মুন্ডির পরিচিতি ও ভেষজ গুণাবলি:

মুন্ডি  প্রায় ৩০ সে.মি উঁচু ছোট বর্ষজীবি বিরুৎ জাতীয় উদ্ভিদ। কান্ড গোলাকার ও পাতার উভয় দিকে সাদা বর্ণের লোমযুক্ত। ফুল ছোট, গোলাকার শিরমঞ্জুরীতে অবস্থিত। তাজা ফুল নীল, সামান্য সুগন্ধযুক্ত ও তিক্ত স্বাদযুক্ত হয়।

ইউনানী নামঃ মুন্ডী

আয়ুর্বেদিক নামঃ মুন্ডিতিকা

ইংরেজি নামঃ Globle thistle

বৈজ্ঞানিক নামঃ Sphaeranthus indicus Linn.

পরিবারঃ Asteraceae

প্রচলিত নামঃ

মুন্ডি, মুন্ডিরী, ছাগলনাদী, শ্রাবণী, মুরমুরিয়া

 

প্রাপ্তিস্থানঃ ঢাকা ও রাজশাহীর বিভিন্ন অঞ্চলে আগাছা হিসেবে জন্মায়।

রোপনের সময় ও পদ্ধতিঃ বীজ বুনে উৎপাদন করা যায়।

রাসায়নিক উপাদানঃ

ফুলে ও পাতায় উদ্বায়ী তেল, ল্যাকটোন, অ্যালকালয়েড ও গ্লাইকোসাইড বিদ্যমান।

ব্যবহার্য অংশঃ ফুল, পাতা ও মূল।

গুনাগুনঃ রক্ত পরিষ্কারক, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিকারক, পাকস্থলীর বলকারক, স্নায়ুবিক শক্তিবর্ধক, রক্তরোধক, প্রোষ্টেট গ্লান্ডের বৃদ্ধি প্রশমক, রক্ত অর্শ ও চর্মরোগ প্রশমক।

বিশেষ কার্যকারিতাঃ রক্ত পরিষ্কারক।

রোগ অনুযায়ী ব্যবহার পদ্ধতিঃ

রোগেরনামঃ প্রোষ্টেট গ্লান্ডের বৃদ্ধিতে
ব্যবহার্য অংশঃ ফুলচূর্ণ
মাত্রাঃ ৫-৭ গ্রাম
ব্যবহার পদ্ধতিঃ এক কাপ ফুটন্ত গরম পানিতে মিশ্রিত করে ছেঁকে নিয়ে নির্যাসটুকু দিনে ২ বার সেব্য।

রোগেরনামঃ স্নায়ুবিক দুর্বলতায়
ব্যবহার্য অংশঃ পাতা
মাত্রাঃ ২-৩ গ্রাম
ব্যবহার পদ্ধতিঃ এক কাপ ফুটন্ত গরম পানিতে মিশ্রিত করে ছেঁকে নিয়ে নির্যাসটুকু দিনে ২ বার সেব্য।

রোগেরনামঃ পাকস্থলীর দুর্বলতায়
ব্যবহার্য অংশঃ মূলচূর্ণ
মাত্রাঃ ৩-৫ গ্রাম
ব্যবহার পদ্ধতিঃ মধুসহ দিনে ২ বার সেব্য।

রোগেরনামঃ রক্ত অর্শে
ব্যবহার্য অংশঃ মূল
মাত্রাঃ প্রয়োজনমত
ব্যবহার পদ্ধতিঃ আক্রান্ত স্থানে দিনে ২ বার প্রলেপ দিতে হবে।

রোগেরনামঃ চর্মরোগে
ব্যবহার্য অংশঃ মূল চূর্ণ
মাত্রাঃ ৩-৫ গ্রাম
ব্যবহার পদ্ধতিঃ প্রত্যহ ২ বার পানিসহ সেব্য।

রোগেরনামঃ রক্তরোধক হিসেবে
ব্যবহার্য অংশঃ পাতার রস
মাত্রাঃ প্রয়োজনমত
ব্যবহার পদ্ধতিঃ আক্রান্ত স্থানে প্রলেপ দিতে হবে।

সতর্কতাঃ

নির্দিষ্ট মাত্রার অধিক সেবন করা উচিৎ নয়।

source:https://www.wikipedia.org/