আসছে ঈদুল আযহা। কোরবানিতে ব্যস্ত সবাই। মামা প্রতিবছর বিশাল গরু জবাই দেন, এত বড় যে লোকে বলে হাতিগরু। মামাও বিমলানন্দ ভোগ করেন।

বিশাল  সাইজের গরু যারাই কিনবেন এখন থেকে একটু সাবধান হোন । কারন গরু এখন নিজেই বিষাক্ত !

প্রতি বছর ঈদকে সামনে রেখে গরু মোটাতাজাকরন করা হয়। এতে কিছু কিছু খামারি অনৈতিকভাবে গরুকে দেয় স্টেরয়েডসহ বেশকিছু হরমোন। প্রয়োগ করে  মাত্রাতিরিক্ত ইউরিয়াসহ নানা কেমিক্যাল। এসব পশুর মাংস খেলে মানুষের ব্রেস্ট, কোলন, প্রোস্টেট এবং ফুসফুসের ক্যান্সার হওয়ার আশংকা থাকে। রয়েছে কিডনি বিকল হওয়ার ভয়সহ নানা বিপদ।

যে গরুগুলো এভাবে কৃত্রিম ও অনৈতিকভাবে মোটাতাজা করে বাজারজাত করা হয়, তা শুধু বিষাক্তই না চরমভাবে ঝুঁকিপূর্ণ। এসব গরু নিজেই যে কোন মুহূর্তে মারা যেতে পারে বিষাক্ততার প্রভাবে। আর আমাদের দেশে হরমোনের চূড়ান্ত অপব্যবহার করা হয়। প্রয়োগ করা হয় ভয়াবহ সব কেমিক্যাল এবং ইনজেকশন যা গরুর মাংসের সাথে মিশে যাচ্ছে আমাদের শরীরে। নিশ্চিতভাবে ধ্বংস করছে আমাদের জীবন। উন্নত বিশ্বে খাবারে বিষ মেশানো বা বিষাক্ত খাদ্যদ্রব্য বাজারজাতকরনের শাস্তি মৃত্যদন্ড। কারন এটা গনহত্যার শামিল।

আর এই ঈদ আনন্দের মাঝেই হয়ত লক্ষ লক্ষ মানুষ নিজের অজান্তেই বিনা দোষে মাংসের সাথে স্লোপয়জনিং এর মাধ্যমে এগিয়ে যাবেন নিশ্চিত মৃত্যর দিকে।

আমাদের কবে বোধোদয় হবে???