অর্গানিক পণ্য নিয়ে মাই অর্গানিক বিডির ই-বুক :

অর্গানিক পণ্য নিয়ে মাই অর্গানিক বিডির ই-বুক অর্গানিক খাবার, বাংলাদেশে অর্গানিক খাবারের বাজার, অর্গানিক খাবার গ্রহণের সুবিধাসমূহ ইত্যাদি বিষয় নিয়ে ‘অর্গানিক ফুড অ্যান্ড স্টাফ : ইন পার্সপেক্টিভ বাংলাদেশ’ শিরোনামের একটি ই-বুক প্রকাশ করেছে অনলাইন অর্গানিক খাবার বিক্রয়কারী প্রতিষ্ঠান

রাজধানীর একটি রেস্টুরেন্টে ই-কমার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ই-ক্যাব) এর স্ট্যার্টআপ অ্যান্ড ফান্ডিং কমিটি আয়োজিত অনুষ্ঠানে ই-বুকটি উন্মোচন করা হয়।

মাই অর্গানিক বিডির তত্ত্বাবধানে মার্কেটিং প্রতিষ্ঠান শেপ কমিউনিকেশন্স বাংলাদেশ এবং ইংরেজি ভাষা চর্চার অনলাইন প্ল্যাটফর্ম সার্চ ইংলিশ, এই ই-বুকের যাবতীয় কাজ করেছে।

ই-ক্যাবের প্রতিষ্ঠাতা প্রেসিডেন্ট এবং সার্চ ইংলিশ এর প্রতিষ্ঠাতা রাজিব আহমেদ বইটি উন্মোচন করেন। অনুষ্ঠানে রাজিব আহমেদ বলেন, ‘আমাদের দেশের বর্তমান প্রেক্ষাপটে এমন একটি বইয়ের খুবই প্রয়োজন ছিল। অর্গানিক ফসল ও সবজি খুবই দরকারি একটি ব্যাপার। প্রায়শই পত্র-পত্রিকায় আমরা খবর দেখতে পাই যে, দৈনন্দিন খাদ্যে ভেজাল, ফলমূল এবং শাকসবজিতে উচ্চমাত্রার রাসায়নিক সারসহ নানা ধরনের রাসায়নিক দ্রব্য ব্যবহার করা হচ্ছে যা মানবদেহের জন্যে খুবই ক্ষতিকারক। এ সমস্যা থেকে বের হতে হলে অর্গানিক উপায় উৎপাদিত ফসল, শাকসবজির ওপর জোর দিতে হবে।’

তিনি আরো বলেন, ‘এই ই-বুকটি রচনা করার ব্যাপারে সার্চ ইংলিশের সদস্যরা নিরলসভাবে কাজ করেছে।’

মাই অর্গানিক বিডির প্রতিষ্ঠাতা সিইও শরীফুল আলম পাভেল বলেন, ‘দুর্ভাগ্যজনক হলেও সত্য যে, আমাদের কৃষিখাত বর্তমানে রাসায়নিক ব্যবহারে খুবই নির্ভরশীল। ফসল উৎপাদনের জন্য জমিতে রাসায়নিক সার ব্যবহার করা হচ্ছে, একই সঙ্গে উৎপাদিত শাকসবজি, ফলমূল রক্ষণাবেক্ষণ ও প্রক্রিয়াকরণের বিভিন্ন পর্যায়ে ব্যাপক হারে রাসায়নিক পদার্থ ব্যবহৃত হচ্ছে, যা শুধু মানবদেহের জন্যেই ক্ষতিকর নয় বরং পরিবেশের জন্যেও ক্ষতিকর। আর এজন্যেই আমরা অর্গানিক পণ্য নিয়ে কাজ শুরু করেছি।’

তিনি আরো বলেন, ‘অর্গানিক পণ্য উৎপাদনের ক্ষেত্রে রাসায়নিক সার বা কোনো রাসায়নিক দ্রব্য ব্যবহার করা হয় না। কিন্তু অর্গানিক পণ্য নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা কম এবং অর্গানিক পণ্য সম্পর্কে তথ্যের অনেক অভাব রয়েছে। তাই আমরা এই ই-বুকটি প্রকাশ করেছি।’